কর অঞ্চল-খুলনা আয়কর বিভাগের সবচেয়ে বড়ো টেরিটোরিয়াল জোন। জাতীয় রাজস্ব আদায়ে এই কর অঞ্চল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯৭৯ সালে খুলনা সিভিল ডিভিশনকে চট্টগ্রাম কর অঞ্চল, চট্টগ্রাম থেকে আলাদা করে কর অঞ্চল-খুলনা সৃষ্টি করা হয়। ১৯৯২ সালে কর বিভাগ পুনর্গঠিত হলে কর অঞ্চল-খুলনা সিভিল ডিভিশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকেই সকল জেলায় কর সার্কেল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। ২০০১ সালে সিভিল ডিভিশন বরিশাল সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমান কর অঞ্চল-খুলনা পুনর্গঠিত হয়। পরবর্তীতে জুলাই, ২০১১তে কর বিভাগে ব্যাপকভাবে সংস্কার হলে কর অঞ্চল-খুলনা পুনরায় পুনর্গঠিত হয়। সর্বশেষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথি নং- ০৮.০১.০০০০.০২৭.০৯.০০১.২৩.৭৪০ তারিখঃ ১৮-১২-২০২৩ খ্রি এর নির্দেশনা মোতাবেক বর্তমান কর অঞ্চল-খুলনা পুনর্গঠিত হয়।বর্তমানে অরগানোগ্রাম অনুযায়ী এই কর অঞ্চল খুলনায় ০১ (এক) জন কর কমিশনার, ০১ (এক) জন অতিরিক্ত কর কমিশনার, ০৩ (তিন) জন যুগ্ম কর কমিশনার, ০১ (এক) জন উপকর কমিশনার, ৫ (পাঁচ) জন সহকারী কর কমিশনার, ০১ (এক) জন সহকারী প্রোগামার, ০৭ (সাত) জন অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার, দ্বিতীয় শ্রেণির অন্যান্য ৩৫ (পয়ত্রিশ) জন কর্মকর্তা, তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ১১৯ (একশত উনিশ) জন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ৯২ (বিরানব্বই) জনসহ মোট ২৮০ (দুইশত আশি) জন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয়ে গঠিত।নবগঠিত কর অঞ্চল-খুলনা, খুলনা সিভিল ডিভিশনের আওতাধীন ০৩টি জেলায় (খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট) ২২টি কর সার্কেলসহ মোট ১৫টি অফিসের মাধ্যমে এই কর অঞ্চলের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
মাননীয় অর্থমন্ত্রী
চেয়ারম্যান , জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
কর কমিশনার